মস্কোভস্কি ভকজাল
দেখতে দেখতে সময় যে কোথায় দিয়ে চলে গেল! ব্রীজগুলো ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। মানুষ ফিরে যাচ্ছে যে যার গন্তব্যে। দস্তয়েভস্কির নায়ক নায়িকাদের মত বাস্তবের নায়ক নায়িকারাও ধীরে ধীরে হারিয়ে গেল আধো আলো আধো আঁধারে । অভি এখনও তাকিয়ে আছে নেভার দিকে। তাকিয়ে দেখছে ব্রীজগুলো। ওর মনে পড়বে লেজেন্ডারি বিমানচালক ভ্যালেরি কচালভের জীবনী নিয়ে তৈরি ফিল্মের কথা। সেখানে তিনি নেভার উপরে ত্রৈতস্কি সেতুর , যা সে সময় রাভেনস্তভা সেতু নামে বিখ্যাত ছিল , নীচ দিয়ে বিমান চালিয়ে চলে গেছিলেন তাঁর প্রেমিকা ওলগা এরাজমভনার মন জয় করার জন্য। যদিও এর সত্যতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে তবে সত্যই হোক আর মিথ্যাই হোক এটা যে খুবই রোম্যান্টিক একটা কাহিনী সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। - কী ভাবছ ? নাস্তিয়ার এ প্রশ্ন শুনে অভি যেন বাস্তবে ফিরে এল। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বলল - ভাবছি এই রাত যদি কখনোই শেষ না হত ! - কী হত তাহলে ? - তুমিই বল। - নানা , তুমিই বল। অভিকে কিছুই বলতে হল না। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে নাস্তিয়া সব বুঝতে নিল ...