আনাস্তাসিয়া ফিলিপভনা
অভি হাঁটছে গ্রিবয়েদভ কানালের পাশ দিয়ে। কানালের জলে রং বেরঙের ছবি ওকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। ও ক্যামেরা বের করে পাগলের মত ছবি তুলতে থাকে। এই ক্যামেরাই একমাত্র বস্তু যার ভেতর দিয়ে তাকিয়ে অভি বাস্তবে ফিরে আসে। আসলে তত্ত্বীয় পদার্থবিদ্যায় পড়ার এই এক সমস্যা। অংকের ফর্মুলা সব সময় মাথায় গিজগিজ করে। এর মধ্যে আবার যোগ হয়েছে উপন্যাসের চরিত্রগুলো। এমতাবস্থায় একমাত্র ক্যামেরাই ওকে বাস্তবে ফিরিয়ে আনতে পারে। কিন্তু কনফারেন্সের শেষ রিপোর্টটা শেষ হতে না হতেই অভি বেরিয়ে পড়েছে ছবি তুলতে। নাস্তিয়ার আসতে এখনও অনেক দেরি। শেষ কফি ব্রেক ছিল সাড়ে চারটায়। কিছু একটা মুখে না তুললেই নয়। এখন চারিদিকে লেতনি ক্যাফে। শীতের দেশ। শীতে সব শুধুই ইনডোর। গ্রীষ্ম এলে অনেক ক্যাফেই বাইরে খোলা জায়গায় বসার ব্যবস্থা করে দেয়, আবার অনেকেই শুধুমাত্র গ্রীষ্মের সময়টাতেই হালকা খাবারের দোকান সাজিয়ে বসে। অভি ভাবল এরকম কোথাও গিয়ে চা আর স্যান্ডউইচ খাবে। হাঁটতে হাঁটতে এমন একটা ক্যাফেতে ঢুকতেই কে যেন অভির পিঠে আলতো করে টোকা দিল। - ...